Ads (728x90)

লাইভ প্রতিবেদক: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দেশে বর্তমানে ৭৮ লাখ ৭০ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির মাধ্যমে সরকার আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু হওয়ার পর প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। স্কুলে ভর্তির হার বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধসহ দরিদ্র শিক্ষার্থীর সুবিধাভোগী মায়েদের সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে।  যা নারীর ক্ষমতায়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এলজিইডি ভবনে ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প’ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আলমগীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাওয়ার এন্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়ে শিশু বেশি ভর্তি হওয়ায় জেন্ডার বৈষম্য দূর হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সকল শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল তা ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে।  এ অনন্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেছেন।  এটা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মেছবাহ উল আলম ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম খানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সচিব, প্রকল্প পরিচালক ও দাতাসংস্থার প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় বক্তারা উপবৃত্তির অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি, ব্যাকিং ব্যবস্থার সহজীকরণ ও ৪র্থ থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত সর্বস্তরে উপবৃত্তি প্রচলনসহ চলতি সময়ে উপবৃত্তির চিহ্নিত সমস্যার সমাধান ও উপবৃত্তি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করার উপায় সম্পর্কে সুপারিশ করা হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন