লাইভ প্রতিবেদক: চৈত্রমাস চলছে। কাঠফাটা রোদ। সামনে অপেক্ষায় প্রখর বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ। প্রচণ্ড এই গরমে সবারই ত্রাহি অবস্থা। প্রকৃতির এই রুক্ষ অবস্থার কারণে মাঝে মধ্যে মন মেজাজও গরম হয়ে যায়। স্বভাবটা হয়ে যায় খিটখিটে। সৃষ্টি হয় অস্থিরতা। গরমে শরীর অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কোনো কাজ করতে গেলে হাঁপিয়ে উঠতে হয়।
প্রকৃতির এই রুক্ষ সময়টাতে যতটুকু সম্ভব রোদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। দিনের প্রয়োজনীয় কাজ সকালেই সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। হাঁটার সময় ছায়াঘেরা স্থান দিয়ে হাঁটতে চেষ্টা করুন। অথবা ঝামেলা মনে হলেও ছাতা সঙ্গে রাখুন। পাতলা সুতির কাপড় পরিধান করুন। রোদে বের হলে মাথায় ক্যাপ ব্যবহার করুন। তরুণীরা রোদ প্রতিরোধের জন্য ওড়না বা শাড়ি মাথায় দিতে পারেন। আর রোদ থেকে ফিরেই গোসল করবেন না। আগে ঠাণ্ডা হোন তারপর গোসল।
গরমে পেটের বিভিন্ন রোগ হয়। এর মধ্যে ডায়রিয়া, জন্ডিস, টাইফয়েড অন্যতম। এসব থেকে বাঁচতে পানি অবশ্যই ফুটিয়ে পান করুন। কারণ, পানি ও খাবার থেকেই এসব রোগ ছড়ায়। দিনে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষকে ১০ গ্লাস পানি খেতে হবে। সম্ভব হলে খেতে পারেন প্রতিদিন একটি করে ডাব। তবে পিপাসা মেটাতে রঙ্গিন পাণীয় কখনোই খাবেন না। খুব ক্লান্ত বোধ করলে স্যালাইন খেতে পারেন। খেতে হবে মৌসুমী ফল যেমন- শসা, লেবুর রস, বেল, লিচু, আম ইত্যাদি।
তবে রাস্তার ধারের খাবার ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলাই উত্তম। বাইরে খেলে থালা-গ্লাস পরিষ্কার আছে কি না, আর খাবারটা টাটকা আছে কি না সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখুন। রাস্তার পাশের গাজর, শসা, লাচ্ছি, আখের রস ইত্যাদি খাওয়া উচিত নয়। যেসব পানি দিয়ে এসব ধোয়া হয় বা যেসব পাত্রে এসব পরিবেশন করা হয় এতে জীবাণু থাকার যথেষ্ট আশঙ্কা থাকে। শুধু তাই নয় গরমের সময় সকাল, দুপুর বা রাতে ভারী তেল মসলার খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। চা-কফি না খাওয়াটাই সবচেয়ে ভাল।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন